recent

যেমনি হোক জব চাই আমি, একটি হলেও চলে পকেট খরচের টাকা নাই আমার, পড়ছি এখন জলে সাঁতার জেনেও জল খেয়ে, ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদি জব একটা হ...



যেমনি হোক জব চাই আমি, একটি হলেও চলে
পকেট খরচের টাকা নাই আমার, পড়ছি এখন জলে
সাঁতার জেনেও জল খেয়ে, ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদি
জব একটা হবেই তোর, বুঝিয়ে বলেন দাদি
পাত্রী পক্ষ দেখতে এসে বলে কি কর বাছা
আমি তখন মুখ ঘুরিয়ে চেঁচিয়ে ডাকি চাচা
চাচা আমার চাকুরীজীবী, ভালো আছেন বেশ
দেশের নাই দশেরও নাই, বউয়ের পোষা মেষ
চাকুরীর জন্য ঘুরছি কত? পড়ছি কত পায়ে
এমাউন্টের হের-ফের হলে রাস্তা মাপেন ভায়ে
বস খুব কুশলী মানুষ, সেক্রেটারি বলেন কথা
তাহার ফি আলাদাভাবে দিতে হবে যথা
কথা-যথা ঠিক ঠাক আছে, আরো আছে তেল
আইনী শক্তির মারপ্যাঁচে আমি করেছি আবার ফেল
যাইহোক, লস খেয়ে আমি, উঠে দাঁড়াই আবার
ঘোড়ার চালটা খেলতে হবে, জীবন বাজী দাবার
এসআই জবে টাকা লাগে, ব্যাংক জবে বৈ কি
ভাইবা বোর্ডে প্রশ্ন করে, দই আনছ ভাই কি
আমি হইলাম বুয়েটিয়ান, প্রফেশনাল বিবিএ
মায়ে-ঝিয়ে ঝগড়া করলে কার পক্ষ তুমি নিবে
উদ্ভট যত প্রশ্নে সবে ভাইবা লাগে বোরিং
পিচ্ছিদের সাথে মন চায় আমার ধরি গিয়া ফড়িং
ব্রেকআপ হইল জব নিয়া, আবারও একই ইস্যু
জিএফ রে পারি না বুঝাতে ডাইকা তোরে যীশু
গার্লফ্রেন্ড আমার ট্টিট চায় শুধু, কেএফসি’র সেই ঘরে
দুইসমকোন ডিগ্রি নিয়ে মনটা ভাংগে ঝড়ে
দেখতে আমি স্মার্টা আছি, সিজিপিএ ও জোস
মোচ না রাইখা দাঁড়ি রাখছি সেটাই আমার দোষ



তোমাকে নিয়ে একটি কবিতা লিখব বলে কত রাত্রি বিনিন্দ্র কাটিয়েছি কত কাগজ নষ্ট করেছি কত স্বপ্নের চুরান্ত রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছি খুঁ...



তোমাকে নিয়ে একটি কবিতা লিখব বলে
কত রাত্রি বিনিন্দ্র কাটিয়েছি
কত কাগজ নষ্ট করেছি
কত স্বপ্নের চুরান্ত রূপ দিতে ব্যর্থ হয়েছি
খুঁজে পাইনি তোমাকে উপমিত করার ভাষা
আমি খুঁজে পাইনি; তোমার স্বরূপ উন্মোচন করার শব্দ
শুধু বৃথা আস্ফালন; আমি তা মনে করে না
আমার অখ্যাত শব্দ সমষ্টি, ছন্দহীন প্রলাপ
ত্রুটিপূর্ন রচনা, বাকরুদ্ধ চিৎকার
তা’ই উপস্থাপন করবে তোমার মহত্ত্ব
তুমি মহানির্বান।

আমি ধর্ম-বর্ন-সংস্কৃতি জলাঞ্জলি দিয়ে
শুধু খুঁজেছি তোমায়-
তোমার পরাগে কয়েকটি অখ্যাত শব্দের চিত্র আঁকব বলে
আমি জানি;
সে চিত্র মুছে ফেলার মতো নয়।
ঝড়ের দিনে সন্ধ্যা আকাশে যখন চির ধরে বিদ্যুৎ চমকায়
যেন মনে হয় আকাশের চিড় ধরা অংশ ফেটে
সর্গের কিছু অচেনা আলোক রশ্মি বেরিয়ে এসেছে
এ বসুন্ধরাকে নব বসুধার রূপ দিবে বলে
সেই রশ্মিও তোমার সংস্পর্শে ব্যর্থ
কিন্তু আমি ব্যর্থ নই;
কেননা আমার ক্ষুদ্ধ হিয়ার কাতরতা
শুধু তোমার জন্য
তোমার হৃদয়ে শুধু একটিবার অবগাহন করব তাই

মানুষ যখন ভালোবাসায় নিজ চৈতন্য বিসর্জন দিয়ে
বহু ক্রোশ হেঁটে উন্মাদ্যকে বরণ করে নেয়
তখন তোমার আঁচল ছায়ায় তৃষ্ণান্ত প্রানের মননশীল জীবনের নবরূপায়ন ঘটে
তোমার বিস্তর সব কাল্পনিক বর্ননা ভূয়সী শ্লেষাত্নক
তুমি সৃষ্টির আদি লগ্নে ফুটে উঠা পুষ্প
তোমার ঘ্রানে মৌমাছি হারায় তার গতিপথ
ভ্রমর হারায় তার সুর

অম্রকাকন ভূ-তে এসে গড়াগড়ি খায় শির নত করে। 

তুমি অদ্বিতীয়া, তুমি আয়তলোচনা। নিরুপায় দৃষ্টি প্রদক্ষিণরত তোমার চারপাশ সিংহবাঘ হৃদয়ের একচ্ছত্র অধিপতি তুমি অসামান্য তুলনাহীনা। ...


তুমি অদ্বিতীয়া, তুমি আয়তলোচনা।
নিরুপায় দৃষ্টি প্রদক্ষিণরত তোমার চারপাশ
সিংহবাঘ হৃদয়ের একচ্ছত্র অধিপতি তুমি
অসামান্য তুলনাহীনা।
তুমি সহস্র বছরের দক্ষিনা দুয়ারের কৌতূহল
তুমি সদ্যোজাত প্রানের অনন্ত জীবনের আহ্বান।
ফুটন্ত রজনীগন্ধার আকাশ ছোঁয়া হাসি
তুমি কবি কণ্ঠের অযুত বন্দনা বারমাসি।

তুমি উন্মাদ যৌবনের প্রখর মোহ;
সাজ বেলায় শৈবালদামের স্বচ্ছ জলের স্নান
তুমি বাষ্প রূপের উদার বৃত্তান্ত
সজ্জিত কলরবের স্পন্দিত মূর্ছনার খেয়া
অপরাহ্ণের বৃষ্টিধারার গন্ধোচ্ছাস
তুমি যুগান্তরের বসন্ত পরশের মোহিত শ্বাস।
তুমি আবৃত মোহের উজ্জ্বল ধ্বনির ঐক্যতান
বসন্তের পত্র-পল্লব-সমীরণের সরসী গান। 

হে প্রিয়া, আমি তোমায় ভুলে যাবো কিন্তু ভুলতে পারব না- সে স্থান; যে স্থানে আমি ভূমিষ্ঠ হয়ে গড়াগড়ি খেয়েছি যে কোলে আমি পরম আদরে খেলা...



হে প্রিয়া, আমি তোমায় ভুলে যাবো
কিন্তু ভুলতে পারব না- সে স্থান;
যে স্থানে আমি ভূমিষ্ঠ হয়ে গড়াগড়ি খেয়েছি
যে কোলে আমি পরম আদরে খেলা করেছি
যে উদরে আমি পরম উষ্ণতায় ঘুমিয়েছি।

হে প্রিয়া, আমি তোমায় ভুলে যাবো
তবু ভুলতে পারব না- সে চুমো;
যে চুমো মায়ের গর্ভে বাবা আমাকে দিয়েছে
যে সোহাগ আমার আবির্ভাবের পূর্বে-
অনাত্মীয়রা আমার মমতাময়ীকে দিয়েছে
আমি কি করে ভুলি- সে ব্যথা
যে ব্যথায় আমার মা অবিরত কেঁদেছে
তবুও স্নেহের এতটুকু কমতি হয়নি আমার
বরং ব্যথার নির্ঘুম রাতে-
আমিই স্বপ্ন ছিলাম।

হে প্রিয়া আমি তোমায় ভুলে যাবো
কিন্তু ভুলতে পারব না- আমার আগমনকে ঘিরে সে স্বপ্ন;
যে স্বপ্ন আমার মা সর্বাগ্রে দেখেছে
আমার বাবা যে স্বপ্নের জাল বুনেছে
আমার দিদি যে স্বপ্নের প্রচারে বেরিয়েছে।

তারপরই’ত আমি; তোমার ভালোবাসা
কি করে ভুলি তাদের দান?
কি দিয়ে দেব তাদের প্রতিদান?
আমি বরং তোমাকে ভুলে যাই।

কেমন? 

মহাকবি ফেরদৌসীর তুমি অমর মহাকাব্য শরৎচন্দ্রের মেজদিদি তুমি তারই লিখা শ্রিকান্ত। আলাওলের তুমি পদ্মবতী, হাকিমের নূরনাম ঈশ্বরের ত...



মহাকবি ফেরদৌসীর তুমি অমর মহাকাব্য
শরৎচন্দ্রের মেজদিদি তুমি তারই লিখা শ্রিকান্ত।
আলাওলের তুমি পদ্মবতী, হাকিমের নূরনাম
ঈশ্বরের তুমি হিত প্রভাকর, কায়কোবাদের অশ্রুমালা।
রবীন্দ্রনাথের তুমি সোনার তরী, দ্বিজেন্দ্রলালের হাসির গান
তুমি কামিনী রায়ের আলো ও ছায়া, জমসিমদ্দীনের প্রতিদান।

আল মাহমুদের তুমি সোনালী কাবিন, মায়াবী পর্দা দুলে উঠা
আরব্য রজনীর রাজাহাঁস তুমি, বখতিয়ারের ঘোড়া।
মীর মশাররফের তুমি রত্নবতী, গাজী মিয়ার বস্তানী
প্রেম পারিজাত, তুমি মদিনার গৌরব, আমার জীবনের জীবনী।

শওকতের জননী তুমি, জাফরের বৃষ্টির ঠিকানা
মধুসূদনের তুমি কৃষ্ণকুমারী, গোলামের হাস্নেহানা।
অন্নদার তুমি পথে প্রবাসে তারিই লিখা বিনুর বই
উড়কি ধানের মুড়কি তুমি, রাঙা ধানের খৈ।
সুফিয়ার তুমি একাত্তরের ডাইরী, বঙ্কিমের রজনী
মুনিরের তুমি রক্তাক্ত প্রান্তর, নজরুলের বিদ্রোহী।

বিদ্যাসাগরের শকুন্তলা তুমি, বঙ্কিমের মৃণালিনী
দ্বিজেন্দ্রলালের তারাবাঈ তুমি, রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী।
আবুল ফজলের তুমি শ্রেষ্ঠ গল্প, সমাজ সাহিত্য রাষ্ট্র
নজরুলের তুমি প্রলয় শিখা, আবুল হোসেনের নববসন্ত।
তারাশঙ্করের বন্দ্যোপাধয়ের তুমি পঞ্চপুত্তলী, নাগিনী কন্যার কাহিনী
বিভূতিভূষণের তুমি পথের পাঁচালী, পুটি, হিঙ্গের কচুরী।
বঙ্কিমের তুমি বিষবৃক্ষ, আনন্দমঠ, রাজসিংহ
মাইকেলের তুমি তিলোত্তমাসম্ভব, মেঘনাদবধ কাব্য।

সৈয়দ আলীর তুমি অনেক আকাশ, আবদুল্লাহ মুতীর নতুন দিগন্ত
শওকতের তুমি কাকর মনি, আবদুলের উত্তর বসন্ত।
জসিমউদ্দিনের তুমি রাখালী, বালুচর, নকশিকাঁথার মাঠ
তারিই লিখা তুমি মাটির কান্না, সোজনা বাদিয়ার ঘাট।
শামসুল হকের তুমি বৈশাখী রচিত পঙক্তিমালা, অগ্নি ও জলের কবিতা
নজরুলের তুমি বিষের বাঁশী, সাম্যবাদী, সর্বহারা।
আবু জাফরের তুমি আমার সময়, সহিষ্ণু প্রতীক্ষা
মনিরুজ্জামানের তুমি বিপন্ন বিষাদ, প্রতনু প্রত্যাশা।

জ্ঞানেন্দ্রমোহনের তুমি সাড়ে তিন হাজার শব্দ সংবলিত বাংলা ভাষার অভিধান
শরৎচন্দ্রের বিপ্রদাশ তুমি, বিন্দুর ছেলে দেবদাস।
শামসুরের তুমি রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা
নজরুলের তুমি বিদ্রোহী কবিতার বেনু বিনে গান গাওয়া।
মুজতবা আলীর তুমি দেশে বিদেশে, অবিশ্বাস্য ময়ূরকণ্ঠী
জীবনানন্দের তুমি ঝরা পালক, ধূসর পান্ডুলিপি।

রোকেয়ার মতিচুর তুমি, বঙ্কিমের দুর্গেশনন্দিনী
দীনবন্ধুর লীলাবতী তুমি, নবীন তপস্বিনী।
মানিক বন্দ্যোপাধয়ের তুমি প্রাগৈতিহাসিক, পদ্মা নদীর মাঝি।
রবীন্দ্রনাথের তুমি শেষের কবিতার, সমাপ্তি।

আমরা সবাই যে কোনো উপায়ে নিজকে সুখী রাখতে চাই। কিন্তু আমরা এর উপায় ভালো ভাবে জানি না। আমরা নিজের ভালো থাকার সাথে আরেক জনকে খুব গভী...




আমরা সবাই যে কোনো উপায়ে নিজকে সুখী রাখতে চাই। কিন্তু আমরা এর উপায় ভালো ভাবে জানি না। আমরা নিজের ভালো থাকার সাথে আরেক জনকে খুব গভীরভাবে জড়িয়ে ফেলি। যেটা কিনা আদৌ ঠিক নয়। আমি কীভাবে ভালো থাকব; তা কোন ভাবেই অন্য কারো উপর নির্ভর করতে পারে না। কিন্তু এই নির্ভরশীলতা আমরাই তৈরি করে নেই; যার দরুন পরবর্তী সময়ে অন্যের কথা, আচরন,কাজে আমরা সুখী হই অথবা ব্যথিত হই। তাই ভালো থাকার সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে অন্যের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনা এবং নিজকে নিয়ে ভালো থাকার চর্চা করা। নিজকে ভালো রাখার প্রতি একচুল ছাড় না দিয়ে বরাবরই উচিত- ভালো থাকাটাকে আত্নকেন্দ্রিক করে নেওয়া। কেননা নিজেকে যদি নিজের মতো করে ভালো রাখা যায়, তাহলে ভালো না লাগার মতো অসুখ ভালো থাকার জানালায় এসে উঁকি দিতে পারে না। আপনি উদ্ভুত একটি ব্যাপার লক্ষ্য করবেন, কোনো কারন ছাড়াই কেউ যদি আপনাকে দেখে হাসি দেয়, আপনিও কিন্তু হাসি না দিয়ে থাকতে পারেন না। তার মানে কি? তার হাসির সাড়া হিসেবে আপনিও একরাশ হাসি ছড়িয়ে দিয়েছেন। আপনি যদি একান্তই নিজে ভালো থাকতে পারেন, তাহলে আপনার অজান্তেই আপনার এ ভালো লাগা অপরের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে। সবার ভালো থাকার ইচ্ছা জাগবে। ভালো লাগায় পূর্ন হয়ে উঠতে থাকবে প্রত্যেকের প্রত্যহ। কারন সবাই ভালো থাকতে তথা সুখের অংশীদার হতে চায়, দুঃখের নয়।
ভালো থাকাটা পুরো নির্ভর করে আপনার নিজের উপর অর্থাৎ আপনি কীভাবে ভালো থাকতে চান। তবে নীতি পরিপন্থী বা নীতি বহির্ভূত হয়ে ভালো থাকাকে ভালো থাকা বলে না। নিজের মাঝে একটু পরিবর্তন আনা গেলেই ভালো থাকার স্বাদ উপভোগ করা যায়। এই পরিবর্তনের পিছনের খুব মেধা বা শ্রমের প্রয়োজন হয় না। শুধু সদিচ্ছার প্রয়োজন। সদিচ্ছাই আপনাকে ভালো থাকার পথ বাতলে দেবে। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি-রুচি-চিন্তা ও মনের মাঝে পরিবর্তন আনা গেলেই ভালো থাকার সুখটা ভালো ভাবে উপভোগ করা যায়। তাই বলি কি- আপনার ভালো থাকার চর্চা এভাবে হতে পারে।


১। নিয়মিত প্রার্থনা করুন। আপন প্রভুর নিকট নিজকে সমর্পন করুন। নিজের যত চাওয়া বিধাতার নিকট নিবেদন করুন। যতটুকু প্রাপ্তি আছে তা স্মরন করে সৃষ্টিকর্তাকে অভিনন্দন জানান। সংগোপনে নিজের সমগ্রটুকু ঈশ্বরের নিকট সুঁপে দিন। কাঁদুন। অস্রু জড়ান। অবশ্যই ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করবেন।


২। প্রত্যহ ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম আপনাকে সতেজ ও সজীব রাখবে।একঘেয়েমিতা দূর করে কর্মে এনে দেবে স্বতঃস্ফূর্ততা।


৩। পরিবারের সদেস্যদের সময় দিন। তাদের ভাল লাগা-ভাল না লাগার বিষয়গুলো জানুন। নিজের পছন্দ-অপছন্দ তাদের নিকট শেয়ার করুন।


৪। নিজকে নিবেদিত প্রানের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলতে প্রতিদিন লক্ষ্য অভিমুখে ছুটে চলুন। চারিত্রিক সৌন্দর্য বিনির্মানে নিজের সাথে সংকল্পবদ্ধ হউন। ক্ষমাশীলতা, আন্তরিকতা, বদান্যতা ও শ্রদ্ধাবোধ গুণগুলোকে আপন করে নিন।


৫। মন্দ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হউন। প্রতিদিন একটি একটি করে মন্দ অভ্যাস ঝেড়ে ফেলুন। মনে রাখবেন- কেউ যদি কোনো একটি বিষয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়, তাহলে শয়তান তার পিছু ছাড়ে না। আপনি কুমন্ত্রনা পাবেন। তবে আপনাকে আপনার পথে অটল ও অবিচল থাকতে হবে।


৬। নিজকে সময় দিন। নিজের সাথে প্রান খুলে কথা বলুন। নিজকে ভালবাসুন। নিজের সাথে প্রেম করুন। দেখুন, দুচোখ মেলে দেখুন- আপনি ভিন্ন সুখী কে আছে ধরায়?


৭। প্রতিদিন ভালো কাজ করার সংকল্প করুন। কাজ শেষে নিজকে অভিনন্দন দিন।


৮। হতাশ না হয়ে নিজের ভাগ্যের উপর বিশ্বাস রাখুন কারন ভাগ্যের বদৌলতে যেমন আপনি অনেক কিছু পেয়েছেন তেমনি এর ধারাবাহিকতায় অনেক কিছু হারাতে হতে পারে। তবে কোনো কিছু চিরস্থয়ী নয়; ভাগ্যের পরিক্রমায় সুখ-দুঃখ আবর্তিত হয়। আর তা মেনে নেওয়ার নামই জীবন।


৯। অন্যের কৃতিত্ব, সার্থকতা ও সৌন্দর্যের সাথে নিজকে তুলনা করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন- পৃথিবীর পুরো সৌন্দর্যে আপনার কিয়াদংশ সৌন্দর্যও বিদ্যমান। আপনার সৌন্দর্য ছাড়া পৃথিবীর প্রকৃত সৌন্দর্য অপরিপূর্ন।


১০। কাউকে খুশি করার জন্য কথা বলবেন না। সবসময় নিজের কথা বলুন। প্রানের কথা বলুন। হৃদয়ের কথা বলুন। নিজের কথা নিজের মতো করে বলতে পারা- আপনাকে পৌঁছে দিবে অনন্য উচ্চতায়।


১১। সব কাজে আমিই শুধু ফার্স্ট হব বা আমাকেই ফার্স্ট হতে হবে। এ ধরনের চিন্তা পরিহার করুন। তাতে আপনার মনের উপর আপনার একচ্ছত্র আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রন থাকবে।


১২। নিজের কাছে সৎ থাকার চর্চা করুন। যেটা খুবই কঠিন। কিন্তু আপনিতো মানুষ। সকল ধরনের অনন্যতা ও অসাধারণত্ব আপনাতে বিরাজমান। আপনি কেন মুখোশ পরে গাঁ ঢাকা দিয়ে চলবেন? বরং সমস্ত কুৎসিত জিনিস আপনার সততার নিকট গাঁ ঢাকা দিবে। কারন সততাই শক্তি। তাই নিজকে বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিন; জবাবদিহিতার সম্মুখীন করুন।


১৩। অন্যের নিকট থেকে প্রত্যাশা কমিয়ে ফেলুন। আপনি যত বেশি প্রত্যাশা করবেন, ততবেশি কষ্ট পাবেন। কারন সেতো আর আপনার মতো না। এ পৃথিবীতে কেউ কারো মতো নয়। তাই অন্যকে নিজের মতো করে ভাবাও ঠিক নয়।


১৪। অন্যরা আপনাকে নিয়ে কি ভাবে; তা নিয়ে চিন্তা করে সময় অপচয় করা নির্বুদ্ধিতার কাজ। সময়কে কাজে লাগিয়ে নিজের কাজকে প্রাধান্য দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।


১৫। প্রচুর পরিমাণে হাসুন এবং সবসময় হাসিখুশী থাকার অভ্যাস করুন। সেই সাথে অন্যদেরকেও হাসিখুশী রাখতে চেষ্টা করুন। হাসি আপনাকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করবে। দিনকে করে তুলবে আনন্দময়।


১৬। শত্রুতা এবং অন্যের প্রতি ঘৃণা বজায় রাখবেন না। এতে কেবল দুঃশ্চিন্তা বাড়ে এবং মানসিক শান্তি নষ্ট হয়। বরং ক্ষমাশীল হন। ক্ষমাশীল হওয়া জীবনের সবচাইতে বড় গুণ। যখন অন্যের অপরাধ ক্ষমা করে দিতে পারবেন তখন আপনি নিজেই অনুভব করতে পারবেন যে আপনি পৃথিবীর সবচাইতে সুখী মানুষ।


১৭। আজকের জন্য ভালো থাকুন। সুদূর ভবিষ্যৎের কথা চিন্তা করে আজকের ভালো থাকার সুখটাকে তিক্ত করবেন না। কারন সেই মানুষই সবার চেয়ে সুখীযিনি আজকের দিনকে নিজের বলতে পারেন।


১৮। অনিশ্চিত কোনো কিছু নিয়ে চিন্তিত হওয়া যাবে না। সর্বদা নিজকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখুন; ভাল থাকতে হলে আপনাকে অবশ্যই দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে। দুশ্চিন্তা চলে এলেও তাকে ঝেড়ে ফেলে দিন। ভাবুন- দুশ্চিন্তার এমন কি সাধ্য যে আমাকে বশীভূত করে। আর দুশ্চিন্তাকে এড়িয়ে চলার সহজ উপায় হলো; জীবনে যা ঘটবে এবং যা ঘটে গেছে তা মেনে নেয়া। কারণ ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে মেনে নিলেই দুর্ভাগ্যকে অতিক্রম করা যায়।



তোমার ভালোবাসায় পাগল হয়েছে সন্ন্যাসী তোমার ভালোবাসায় হেসে খেলে জীবন কাটায় অনেকেই। তোমার ভালোবাসায় নিজের বক্ষে জন্মাতে দিল পরগাছা ...


তোমার ভালোবাসায় পাগল হয়েছে সন্ন্যাসী
তোমার ভালোবাসায় হেসে খেলে জীবন কাটায় অনেকেই।

তোমার ভালোবাসায় নিজের বক্ষে জন্মাতে দিল পরগাছা ঐ বৃক্ষটি
তোমার ভালোবাসায় কবর থেকে উঠে আসল অতৃপ্ত আত্নাটি।
তোমার ভালোবাসায় পাড়ার বেকার ছেলেটি হল চাকুরীজীবী
তোমার ভালোবাসায় বুদ্ধি হারাল বুদ্ধিজীবী।
তোমার ভালোবাসায় ব্যাক বেঞ্চের স্টুডেন্টটি হল দার্শনিক
তোমার ভালোবাসায় তোমার মামাত ভাই হল মহাসৈনিক।
তোমার ভালোবাসায় নামাযী ছেলেটি হল বখাটে
তোমার ভালোবাসায় চায়ের দোকানে বসে থাকা বৃদ্ধাটির মাজাজ হল খিটখিটে।
তোমার ভালোবাসায় ক্লাসের নাম্বার ওয়ান ছেলেটি হল বিজ্ঞানী
তোমার ভালোবাসায় পাশের গ্রামের ছেলেরা খেলে অসাধারণ ডাংগুলি।

তোমার ভালোবাসায় অনেকেই পেল কবিপ্রান
তোমার ভালোবাসায় বাবাটি হারাল তার একমাত্র সন্তান।
তোমার ভালোবাসায় তোমার চাচার মতো বয়েসের লোকটি হল নির্লজ্জ
তোমার ভালোবাসায় করেছে অপরাধ কলেজের ছেলেরা কত জঘন্য।
তোমার ভালোবাসায় রাত পেল দিনের সান্নিধ্য
তোমার ভালোবাসায় গড়ে উঠল মুষ্টিমেয় কতগুলো স্মৃতিস্তম্ভ।
তোমার ভালোবাসায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলেটি হল ক্রাইম রিপর্টার
তোমার ভালোবাসায় কমার্স মিনিস্টারের ছেলেটি হল গাঁজার দোকানদার।
তোমার ভালোবাসায় মতির ছেলেটি হল গ্রামের গো-রিচার্জার
তোমার ভালোবাসায় দোকান থেকে বাকী নিল পয়সাওয়ালা খরিদদার।
তোমার ভালোবাসায় হাইয়ার স্টাডি ছাড়ল জোড়াসাঁকোর পরিবার
তোমার ভালোবাসায় ভিক্ষার থালা হাতে নিল তৎকালীন জমিদার। 

তোমার ভালোবাসায় বাড়িওয়ালার ছেলেটি হয়েছে চাপাবাজ
তোমার ভালোবাসায় করেছে অনেকেই অন্যায় অপরাধ অশ্লীল শত খারাপ কাজ।

তোমার ভালোবাসায় কৃষকের ছেলেটি ভেঙ্গেছে কত ঘামে ভিজানো অর্থ
তোমার ভালোবাসা না পেয়ে মরেছে মানিকরা মা হারিয়েছে রত্ন। 
তোমার ভালোবাসায় কর্মঠ ছেলেটি কর্ম বিরতি নিয়ে দাঁড়ায় এসে রাস্তায়
তোমার অপেক্ষায় পথ চেয়ে বাদাম আর পেস্তা খায় বস্তায় আর বস্তায়। 
তোমার ভালোবাসায় নানির বাড়িতে থাকা ছেলেটি হল অসভ্য
তোমার ভালোবাসায় ছেলের মতো বয়সী দিবাকরকে দোষী সাব্যস্ত করল উপেন্দ্র।
তোমার ভালোবাসায় মোটা ইনকাম করা ছেলেটি আসল বিদেশ ফেরত
তোমার ভালোবাসায় তোমারই ক্লাসের ইন্টিলিজেন্ট বালকটির গোড়ায় গলদ।
তোমার ভালোবাসায় তোমার হোম টিউটরটি হল রোম্যান্টিক
তোমার ভালোবাসায় তোমার বাসার নিচে ব্ল্যাক টিশার্ট আর নেরু জিন্স পরে দাঁড়ায় গোটাখানেক প্রেমিক।

তোমার ভালোবাসায় সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পাওয়া ছেলেটি হল মাদকাসক্ত  
তোমার ভালোবাসায় তোমাকে না দেখে অনেকে হয়েছে তোমার ভক্ত। 

তোমার ভালোবাসায় মিনি বাসের হেলপারটি এসে দাঁড়ায় তোমার পাশে
তোমার ভালোবাসায় আড়াআড়িভাবে বসে থাকা ছেলেটি চোখ মারে একটু হেসে।